জালিয়াতির মাধ্যমে ৮১৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ফারইস্টের করা মামলায় কোম্পানির সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামের ম্যানেজার এ.কে.এম মনিরুল ইসলামকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি)।
সোমবার (১০নভেম্বর) দুপুরে তাকে রাজধানী থেকে আটক করা হয়।
তিনি ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লি. এর সাবেক পরিচালক ছিলেন। আটকের পর তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন।
ফারইস্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আইন কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বাদী হয়ে ৮১৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন। মামলায় কোম্পানির সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, সাবেক পরিচালক এমএ খালেক ও সাবেক মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হেমায়েত উল্যাহ সহ ১৪ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রথম ও দ্বিতীয় আসামি এমএ খালেক ও নজরুল ইসলাম বোর্ড থাকাকালীন বিভিন্নভাবে এসব অর্থ আত্মসাৎ করেছেন, যা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ও বীমা উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর নিয়োগকৃত বহি:নিরক্ষক হুদা ভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোং ও সিরাজ খান বসাক অ্যান্ড কোং এর অডিট রিপোর্টে উঠে এসেছে। আসামিরা বিভিন্ন সময় জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি থেকে ৮১৬ কোটি টাকারও বেশি আত্মসাৎ করেছেন।
যে কারণে আটক হলেন মনিরুল ইসলাম-
ব্যাংকে রক্ষিত ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর ৪১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এমটিডিআর লিয়েন রেখে মনিরুল ইসলামের মেসার্স মোল্লা এন্টারপ্রাইজের ব্যাংক ঋণের বিপরীতে পরিচালনা পর্ষদের ১৬৯ ও ১৭১তম সভার কার্যবিবরণীর ভূয়া “এক্সট্রাক্ট” এর মাধ্যমে ৪০ কোটি ২১ লাখ আত্মসাৎ করে। বিষয়টি তদন্তে উঠে আসায় ডিবি পুলিশ তাকে আটক করে। এছাড়াও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তথ্যমতে ২২৫ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং ঘটনায় এ.কে.এম মনিরুল ইসলাম, ফারইস্টের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী তাসলিমা ইসলামের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
চলমান সময়/১১নভেম্বর/পিএস



