1. mizanurrahmanbadol2@gmail.com : Chaloman Shomoy : Chaloman Shomoy
  2. arasif1989@gmail.com : jony :
  3. mashiur2k@gmail.com : mashiur :
  4. trustit24@gmail.com : Admin panel : Admin panel
  5. chalomanshomoy@gmail.com : Polash News : Polash News
  6. info@chalomanshomoy.com : suvash :
অস্ত্র চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করতে আমিরাত সফরে পম্পেও - চলমান সময়
November 27, 2020, 5:39 am

অস্ত্র চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করতে আমিরাত সফরে পম্পেও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : শনিবার, নভেম্বর ২১, ২০২০
  • 12 Time View

যুক্তরাষ্ট্র এবং আরব আমিরাতের মধ্যে কয়েক বিলিয়ন ডলার অস্ত্র চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করতে আবু ধাবি সফরে গেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। শনিবার তার আবু ধাবির প্রিন্সের সঙ্গে সাক্ষাত করার কথা রয়েছে। দু’দেশের মধ্যে অস্ত্র চুক্তি ছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়েও আলোচনা করবেন তারা।

চলতি সপ্তাহে এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, আরব আমিরাতের সঙ্গে অস্ত্র চুক্তি, নিরাপত্তা সহযোগিতা, দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় এবং ওই অঞ্চলে ইরানের প্রভাবের বিষয়ে আলোচনা করতে আবু ধাবির প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন পম্পেও।

গত ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল এর মধ্যেই হাতে পৌঁছেছে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে হোয়াইট হাউসের পথ নিশ্চিত করেছেন ডেমোক্র্যাট দলের জো বাইডেন। কিন্তু প্রথম থেকেই নির্বাচনের ফলাফল অস্বীকার করে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও নিজেও নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন।

নির্বাচনে ট্রাম্প হেরে যাওয়ার পরও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন দেশে সফর চালিয়ে যাচ্ছেন পম্পেও। ফ্রান্স, তুরস্ক, জর্জিয়া এবং ইসরায়েলসহ বেশ কিছু দেশে সফরে বেরিয়েছেন তিনি। অথচ এসব দেশের রাষ্ট্রনেতারা ইতোমধ্যেই জো বাইডেনকে নির্বাচনে জয়ের পর স্বাগত জানিয়েছেন।

এক বিবৃতিতে পম্পেও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং আরব আমিরাতের মধ্যে সম্পর্ক আগের অন্য যে কোনো সময়ে চেয়ে অনেক গভীর এবং আরও বিস্তৃত হয়েছে।

আবু ধাবির কাছে ২৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার অস্ত্র বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের। এর মধ্যে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান এবং মনুষ্যবিহীন বিমান ব্যবস্থা থাকার কথা রয়েছে। তবে ওয়াশিংটন ডিসির আইনপ্রণেতারা এই অস্ত্র চুক্তি বাতিলের চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

ইসরায়েলের সঙ্গে আরব আমিরাত সম্পর্ক স্বাভাবিকের বিষয়ে একমত হওয়ার পরই অস্ত্র চুক্তির বিষয়টি সামনে এলো। গত কয়েক মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সঙ্গে আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং সুদান সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়ে চুক্তি করেছে। ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস মার্ফি, বব মেনেনদেজ এবং রিপাবলিকান সিনেটর রেন্ড পল আমিরাতের সঙ্গে অস্ত্র চুক্তির সমালোচনা করেছেন। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে আমিরাত সরকার এসব অস্ত্র ব্যবহার করে উপসাগরীয় অঞ্চলে সহিংসতা তৈরি করতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এই সিনেটররা।

 

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *