1. mizanurrahmanbadol2@gmail.com : Chaloman Shomoy : Chaloman Shomoy
  2. arasif1989@gmail.com : jony :
  3. mashiur2k@gmail.com : mashiur :
  4. trustit24@gmail.com : Admin panel : Admin panel
  5. chalomanshomoy@gmail.com : Polash News : Polash News
  6. info@chalomanshomoy.com : suvash :
রংপুরে জালিয়াতির মাধ্যমে অধ্যক্ষ নিয়োগ - চলমান সময়
November 30, 2020, 1:44 am
শিরোনাম:

রংপুরে জালিয়াতির মাধ্যমে অধ্যক্ষ নিয়োগ

চলমান ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : শনিবার, নভেম্বর ২১, ২০২০
  • 24 Time View

অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগের অভিযোগে রংপুরের কাউনিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মুসা আহমেদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পরীক্ষা ছাড়াই বাড়িতে বসে তৈরি করা রেজাল্ট সিট ও নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজে স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

গত ১৮ নভেম্বর কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উলফৎ আরা বেগম।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বছর কাউনিয়া কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে ওই কলেজের উপাধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুসা আহমেদসহ পাঁচজন আবেদন করেন। পরীক্ষা গ্রহণের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ও পরিচালক ডা. গোলাম সাব্বির সাত্তার এবং ডিজির প্রতিনিধি সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর চিন্ময় বাড়ৈকে মনোনয়ন দেয়া হয়। গত ৭ জুন রংপুর সরকারি রোকেয়া কলেজ ভেন্যুতে নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ওইদিন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি সেদিন রংপুরে আসেননি। অথচ প্রতারণার মাধ্যমে নিয়োগ পরীক্ষা ছাড়াই অনিয়ম ও জালয়াতি করে মুসা আহমেদ নিজেকে অধ্যক্ষ ঘোষণা করেন। তার বিরুদ্ধে ফলাফল সিটসহ নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে।

এ ব্যাপারে গত ২১ সেপ্টেম্বর কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য আব্দুল মজিদ প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। এরই প্রেক্ষিতে গত ২৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাকিবুজ্জামানকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়। গত ১৫ নভেম্বর কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ডিজির প্রতিনিধি লিখিতপত্রে জানিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ মতভেদের কারণে গত ৭ জুন কাউনিয়া কলেজের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি লিখিতপত্রে জানিয়েছেন, অধ্যক্ষ মুসা আহমেদ তাকে মুঠোফোনে জানান যে, সংশ্লিষ্ট সদস্যদের উপস্থিতিতে যথাযথ প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। পরে মুসা আহমেদ রাজশাহীতে তার বাড়ি গিয়ে নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে আসেন। এছাড়া কৌশলে নিয়োগ কমিটির সদস্য আনছার আলী এবং সদস্য সচিবের কাছেও স্বাক্ষর নেয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বছর কাউনিয়া কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে ওই কলেজের উপাধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুসা আহমেদসহ পাঁচজন আবেদন করেন। পরীক্ষা গ্রহণের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ও পরিচালক ডা. গোলাম সাব্বির সাত্তার এবং ডিজির প্রতিনিধি সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর চিন্ময় বাড়ৈকে মনোনয়ন দেয়া হয়। গত ৭ জুন রংপুর সরকারি রোকেয়া কলেজ ভেন্যুতে নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ওইদিন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি সেদিন রংপুরে আসেননি। অথচ প্রতারণার মাধ্যমে নিয়োগ পরীক্ষা ছাড়াই অনিয়ম ও জালয়াতি করে মুসা আহমেদ নিজেকে অধ্যক্ষ ঘোষণা করেন। তার বিরুদ্ধে ফলাফল সিটসহ নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে।

এ ব্যাপারে গত ২১ সেপ্টেম্বর কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য আব্দুল মজিদ প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। এরই প্রেক্ষিতে গত ২৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাকিবুজ্জামানকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়। গত ১৫ নভেম্বর কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ডিজির প্রতিনিধি লিখিতপত্রে জানিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ মতভেদের কারণে গত ৭ জুন কাউনিয়া কলেজের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি লিখিতপত্রে জানিয়েছেন, অধ্যক্ষ মুসা আহমেদ তাকে মুঠোফোনে জানান যে, সংশ্লিষ্ট সদস্যদের উপস্থিতিতে যথাযথ প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। পরে মুসা আহমেদ রাজশাহীতে তার বাড়ি গিয়ে নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে আসেন। এছাড়া কৌশলে নিয়োগ কমিটির সদস্য আনছার আলী এবং সদস্য সচিবের কাছেও স্বাক্ষর নেয়া হয়।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কমিটির তৎকালীন সভাপতি ও বর্তমান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি মুঠোফোনে তদন্ত কমিটিকে জানিয়েছেন, অভিযুক্ত মুসা আহমেদ নিয়োগ কমিটির চারজন সদস্যের স্বাক্ষর করা রেজাল্ট সিট ও রেজুলেশন নিয়ে তার কাছে যান। নিয়োগ পরীক্ষা যথাযথ নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে বলে রেজাল্ট সিট, রেজুলেশন ও নিয়োগপত্রসহ সবে কাগজপত্রে স্বাক্ষর দিতে অনুরোধ করলে তিনি স্বাক্ষর করেন। এছাড়া শঠিবাড়ী কলেজের উপাধ্যক্ষ ও প্রার্থী হাশেম আলী নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি। অথচ ভুয়া খাতা ও উত্তরপত্র তৈরি করে পরীক্ষার ফলাফল সিটে তাকে ৩৩ নম্বর দেয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মুসা আহমেদ অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পাওয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার উলফৎ আরা বেগম জানান, অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মুসা আহমেদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. শ্বাশত ভট্টাচার্যকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, মুসা আহমেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রয়োজনীয় কাগজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরসহ ঊর্ধ্বতন দফতরে পাঠানো হয়েছে।
তবে মুঠোফোনে অধ্যক্ষ মুসা আহমেদ অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ও পরিচালক ডা. গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, তদন্ত কমিটির কাছে দেয়া লিখিত বক্তব্যই ঠিক। তবে এ বিষয়ে তিনি বিব্রত বলেও জানান।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মনিরুজামান বলেন, নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ না করে এ সংক্রান্ত কাগজপত্রে স্বাক্ষর দেয়ায় সরকারি প্রতিনিধিরাও জালিয়াতি করেছেন। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সার্বিক বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কমিটির তৎকালীন সভাপতি ও বর্তমান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানান, রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে গত দুই বছর ধরে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো সভায় উপস্থিত ছিলেন না। তবে অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির বিষয়ে জানতে পেরেছেন। বর্তমান সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *