1. mizanurrahmanbadol2@gmail.com : Chaloman Shomoy : Chaloman Shomoy
  2. arasif1989@gmail.com : jony :
  3. mashiur2k@gmail.com : mashiur :
  4. trustit24@gmail.com : Admin panel : Admin panel
  5. chalomanshomoy@gmail.com : Polash News : Polash News
  6. info@chalomanshomoy.com : suvash :
নোয়াখালী-৪ আসন ৩৩ বছর পর ২০০৮ সালে একরামুল করিম চৌধুরীর মাধ্যমে উদ্ধার - চলমান সময়
March 3, 2021, 3:32 pm

নোয়াখালী-৪ আসন ৩৩ বছর পর ২০০৮ সালে একরামুল করিম চৌধুরীর মাধ্যমে উদ্ধার

প্রশান্ত সুভাষ চন্দ, চীফ রিপোর্টার :
  • আপডেট সময় : সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১, ২০২১
  • 492 Time View
একরামুল করিম চৌধুরী এমপি।

নোয়াখালীতে আব্দুল মালেক উকিল ক্ষমতায় থাকাকালে আওয়ামী লীগের যে জয়জয়কার ছিল সেটি ৭৫ পরবর্তী সময়ে হারিয়ে যায়। দীর্ঘ ৩৩ বছর অনেকের মাধ্যমে চেষ্টা করেও উদ্ধার করা যায়নি সেই ইমেজ। আওয়ামী লীগের দখলে আসেনি সংসদীয় আসন ২৭১, নোয়াখালী-৪। এখানে ঘাঁটি গেড়ে বসেছিল বিএনপি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেও নোয়াখালী-৪ আসনটি বিএনপি থেকে উদ্ধার করতে পারেনি আওয়ামী লীগ। অবশেষে ২০০৮ সালে নোয়াখালীর জনপ্রিয় নেতা একরামুল করিম চৌধুরীর নেতৃত্বে বিএনপির ঘাঁটি ভেঙ্গে আসনটি উদ্ধার হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগের কর্তৃত্ব।

জানা যায়, ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আব্দুল মালেক উকিল এখান থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আব্দুল মালেক উকিল গ্রেফতার হয়ে ক্ষমতাচ্যুত হন। এরপর মোস্তাক সরকার, জিয়াউর রহমান সরকার, এরশাদ সরকার ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দেশ শাসন করে।

১৯৯১ সালে ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৪ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন আব্দুল মালেক উকিলের ছেলে গোলাম মহিউদ্দিন  লাতু এবং বিএনপির প্রার্থী ছিলেন শাহজাহান। সে নির্বাচনে শাহজাহান ৩৩ হাজার ৩৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। গোলাম মহিউদ্দিন লাতু পান ২৯ হাজার ২৬১ ভোট।

১৯৯৬ সালে ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি খাইরুল আনাম সেলিম। বিএনপির প্রার্থী ছিলেন শাহজাহান। সে নির্বাচনে শাহজাহান ৬১ হাজার ৬৩২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। খাইরুল আনাম সেলিম পেয়েছিলেন ৫৩ হাজার ৪১৩ ভোট।

২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে আবারো আব্দুল মালেক উকিলের ছেলে গোলাম মহিউদ্দিন লাতুকে দেয়া হয়। বিএনপির প্রার্থী ছিলেন শাহজাহান। সে নির্বাচনে শাহজাহান ১ লক্ষ ১২ হাজার ৯৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগ প্রার্থী গোলাম মহিউদ্দিন লাতু পান ৮৩ হাজার ৯৯৮ ভোট।

ঘুরিয়ে ফিরিয়ে চেষ্টা করেও যখন আসনটি উদ্ধার হচ্ছিলনা তখন দায়িত্ব তুলে দেয়া হয় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরীর হাতে।

২০০৮ সালে ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনুষ্ঠিত অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে খ্যাত নোয়াখালী-৪ আসনটি উদ্ধার করতে সক্ষম হন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ছিলেন বিএনপির মনোনীত শাহজাহান। সে নির্বাচনে একরামুল করিম চৌধুরী ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৭০৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন। অরদিকে শাজাহান পেয়েছেন ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৯৫৬ ভোট।

এরপর থেকে এখনো নোয়াখালী-৪ আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে রয়েছে। নোয়াখালী-৪ আসনকে এখন আর বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়না। স্থানীয় সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরীর নেতৃত্বে এখানে আওয়ামী লীগ এখন ঐক্যবদ্ধ ও অনেক শক্তিশালী।

একরামুল করিম চৌধুরীর নেতৃত্বগুণ, বিচক্ষনতা, দান অনুদান, সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিকভাবে পরিচালনা এবং তিনি একজন কর্মীবান্ধব হওয়ার কারনে এ আসনে আওয়ামী লীগ আজ এ অবস্থানে এসেছে বলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের অনেকে মনে করেন।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *