1. mizanurrahmanbadol2@gmail.com : Chaloman Shomoy : Chaloman Shomoy
  2. arasif1989@gmail.com : jony :
  3. mashiur2k@gmail.com : mashiur :
  4. trustit24@gmail.com : Admin panel : Admin panel
  5. chalomanshomoy@gmail.com : Polash News : Polash News
  6. info@chalomanshomoy.com : suvash :
৭ মার্চের ভাষণ ছিল ‘চির অম্লান’ : ন্যাপ - চলমান সময়
May 18, 2022, 7:38 am
শিরোনাম:
৩৩ মাস পর কোম্পানীগঞ্জে সেতুমন্ত্রীর আগমন একহাজার দরিদ্র পরিবারের মাঝে ছিদ্দিক উল্যাহ ভূট্টোর ঈদ বস্ত্র বিতরণ কোম্পানীগঞ্জে রামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন কোম্পানীগঞ্জ রামপুর ইউনিয়নে যথাযত মর্যাদায় জাতীয় স্বাধীনতা দিবস পালিত মশিউর রহমান মিঠু’র দু’টি কবিতা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত করলেন প্রধান বিচারপতি এমভি অভিযান-১০ এর অগ্নিকাণ্ড: আরও ৩ দিন সময় পেল তদন্ত কমিটি আগামীকাল নিয়োগ হতে পারে নতুন প্রধান বিচারপতি মীজানুর রহমানের ত্রৈমাসিক পত্রিকা প্রকাশের নয়া উদ্যোগঃ এক অর্থপূর্ণ পাগলামির রয়ান শিল্পি মোহাম্মদ হাসেমঃ শ্রীকৃষ্ণপুর থেকে মানুষের হৃদয়পুরে

৭ মার্চের ভাষণ ছিল ‘চির অম্লান’ : ন্যাপ

রাজনীতি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : শনিবার, মার্চ ৬, ২০২১
  • 587 Time View

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ যা ‘চির অম্লান’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া।

তারা জানান, ‘বঙ্গবন্ধুর এই উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালি জাতি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিল।’

শনিবার (৬ মার্চ) ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ন্যাপ নেতৃবৃন্দ এসব কথা জানান।

তারা জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ওই ভাষণ পরবর্তী সময়ে স্বাধীনতার সংগ্রামের বীজমন্ত্র হয়ে ওঠে। তার এ উদ্দীপ্ত ঘোষণায় বাঙালি জাতি পায় স্বাধীনতার দিকনির্দেশনা। প্রায় ১৯ মিনিটের এ ভাষণে বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার স্বপ্নে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। তার দেয়া স্বাধীনতার ডাক সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ কেবল আমাদের নয় বিশ্ববাসীর জন্য প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে।

নেতৃদ্বয় জানান, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অমিত শক্তির উৎস ছিল ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ আমাদের ইতিহাস এবং জাতীয় জীবনের এক অপরিহার্য ও অনস্বীকার্য অধ্যায়। কালজয়ী এই ভাষণ বিশ্বের শোষিত, বঞ্চিত ও মুক্তিকামী মানুষের সবসময় প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

তারা জানান, ৭ মার্চের ভাষণ সব ধরনের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে বজ্রতুল্য ঘোষণা, যা কেবল একাত্তরেই নয়, বর্তমান সময়েও আমাদের অনুপ্রাণিত ও উজ্জীবিত করে চলেছে। দুর্নীতি-র্দুবৃত্তায়নের বিরুদ্ধে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তথা জনগণের মুক্তির লড়াই-সংগ্রামে তার এই ভাষণ আমাদের অনুপ্রেরণা যোগাবে।

ন্যাপ নেতারা জানান, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের একদিন পর ৯ মার্চ মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী তার চিরাচরিত দরাজ কণ্ঠে ঘোষণা দেন, ‘হে বাঙালিরা, আপনারা মুজিবের উপর বিশ্বাস রাখেন, তাকে খামোখা কেউ অবিশ্বাস করবেন না, কারণ মুজিবকে আমি ভালোভাবে চিনি।’ ওই জনসভায় তিনি আরও বলেছিলেন, ‘মুজিবের নির্দেশ মতো আগামী ২৫ তারিখের মধ্যে কিছু না হলে আমি শেখ মুজিবের সঙ্গে মিলে ১৯৫২ সালের মতো তুমুল আন্দোলন গড়ে তুলব।’ মওলানা ভাসানী এই বক্তব্যের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করলেন।

তারা জানান, ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর বক্তব্যের ৯ মার্চ মওলানা ভাসানীর ভাষণের পর প্রধান দুই নেতা একসঙ্গে একই সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে ঐকমত্য প্রকাশ করেন, তখন স্বাধীনতার ক্ষেত্রে আর কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকে না।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *