1. mizanurrahmanbadol2@gmail.com : Chaloman Shomoy : Chaloman Shomoy
  2. arasif1989@gmail.com : jony :
  3. mashiur2k@gmail.com : mashiur :
  4. trustit24@gmail.com : Admin panel : Admin panel
  5. chalomanshomoy@gmail.com : Polash News : Polash News
  6. info@chalomanshomoy.com : suvash :
কোম্পানীগঞ্জে সাম্রাজ্য হারা কাদের মির্জা ছিলেন এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম - চলমান সময়
April 22, 2021, 1:53 am
শিরোনাম:
কাদের মির্জার শান্তির ডাক, নিছক কুটকৌশল ছাড়া আর কিছুই নয়: উপজেলা আ’লীগ বেগমগঞ্জে সূর্যমুখি চাষে ঝুঁকছে প্রান্তিক কৃষক হিলিতে দুই চাল দোকানীকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা পুলিশ সুপারের উদ্যোগে ১০ বছর পর বসতভিটা ফিরে পেল নাটোরের কল্পনা পাহান  ঝালকাঠিতে ডায়রিয়া পরিস্থিতির অবনতি, কারণ অনুসন্ধানে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের রোগ নিয়ন্ত্রণ সেল সুনামগঞ্জে অবৈধ বালি ও পাথরসহ ২৫টি নৌকা আটক, ১জনের কারাদন্ড ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে ভ্রাম্যামাণ আদালতের জরিমানা ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের মাস্ক বিতরণ নিজের ১৬ আনা ঠিক রেখেই প্রস্তাব তুলে ধরলেন মির্জা: উপজেলা আ’লীগ পাঁচ বোলার নিয়ে লড়াইয়ে নামছে বাংলাদেশ

কোম্পানীগঞ্জে সাম্রাজ্য হারা কাদের মির্জা ছিলেন এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম

প্রশান্ত সুভাষ চন্দ, চীফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : সোমবার, মার্চ ৮, ২০২১
  • 655 Time View

আব্দুল কাদের মির্জা। বর্তমানে সারাদেশে এ নামটি ব্যাপক পরিচিত। তবে তার এ পরিচিতি বিশেষ কোন অর্জনের কারনে নয়। বরং সরকার বিরোধী বক্তব্য ও সরকার দলীয় নেতাদের নিয়ে সমালোচনা, অশ্লীল মন্তব্য ও নির্বাচন নিয়ে বেফাঁস মন্তব্যের কারনে তিনি এ পরিচিতি লাভ করেছেন।

কাদের মির্জা নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই। কোম্পানীগঞ্জকে তিনি তাঁর সাম্রাজ্য মনে করতেন। এখানে তিনি নিজেকে স্বঘোষিত সম্রাট মনে করতেন। কাদের মির্জার আচার আচরণ ও কর্মকান্ডে কোম্পানীগঞ্জের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে এক মূর্তিমান আতঙ্ক হিসেবে মনে করতেন। বর্তমানে তিনি সাম্রাজ্য হারা এক সম্রাট। তার অনিয়ম ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। মুখ খুলতে শুরু করেছে সকলে।

অভিযোগ রয়েছে, কাদের মির্জা তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতিনিয়ত দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে করতেন অশোভন আচরন। করতেন অত্যাচার নির্যাতন। তার কথার অবাধ্য হলে নেমে আসতো বহিষ্কার, তিরস্কার। কাউকে কাউকে হতে হতো অপমান, অপদস্ত। কোন কোন ক্ষেত্রে যেতে হতো পুলিশের হাতে।

কাদের মির্জা উপজেলা আওয়ামী লীগের সামান্য একজন সদস্য। কিন্তু তিনি বহিষ্কার করতেন উপজেলা আ’লীগ সভাপতি, সম্পাদককে। বহিস্কার করতেন উপজেলা যুবলীগ সভাপতি সম্পাদক, ছাত্রলীগ সভাপতি সম্পাদককে।

তিনি একজন পৌর মেয়র হয়ে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে বহিষ্কারের ঘোষণা করতেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে। নিয়োগ দিতেন নতুন চেয়ারম্যান।

তার সাথে মতপার্থক্য হওয়ায় তিনি ঐতিহ্যবাহী একটি বাজারের নাম পরিবর্তনের মতো ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন। বসুরহাট পৌরসভায় তিনি কথায় কথায় ব্যবসায়ীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে দিতেন। অপমান করতেন। রাস্তার পাশে রাখা বিভিন্ন দোকানে আসা ক্রেতাদের মোটর সাইকেল ভেঙ্গে দিতেন অথবা নিয়ে যেতেন। মাঝে মাঝে ম্যাজিষ্ট্রেটের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে ব্যবসায়ীদের জরিমানা করতেন।

ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে পুলিশ প্রশাসনের নিজস্ব জায়গা দখলের চেষ্টা করতেন। পুলিশ কর্মকর্তাদের অপমান, অপদস্ত করতেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বাস্টার্ড বলে গালি দিতেন। কি না করতেন। কোম্পানীগঞ্জ যেন তার জমিদারীর অংশ ছিল।

শুধু তাই নয়, এখানে কোন মত প্রকাশের স্বাধীনতা ছিলনা। সাংবাদিকরা কখনো তার অনিয়ম নিয়ে কিছু লিখতে পারতোনা। লিখলে নেমে আসতো নির্যাতন। দিতেন ফোনে হুমকী।

উপজেলার যেকোন স্থানে কোন ধরনের ঘটনা ঘটলে তিনি তার অনুসারীদের দিয়ে  উভয় পক্ষকে ধরে এনে নিজেই বিচার করতেন। কাউকে আবার পুলিশে দিয়ে দিতেন। তার অত্যাচার নির্যাতন ছিল এক কথায় ভয়ঙ্কর।

কোম্পানীগঞ্জে তিনি নিজেকে এক মূর্তিমান আতঙ্কে পরিণত করেছেন। মানুষ এ নামটি শুনলেই ভয়ে আঁতকে উঠত।

অবশেষে আব্দুল কাদের মির্জা নামের এই স্বঘোষিত সম্রাটের পতন হয়েছে। তাও তার নিজ দলীয় নেতাকর্মীদের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। মানুষ স্বাধীনতার মাসে এই মূর্তিমান আতঙ্কের কাছ থেকে মুক্তি পেয়ে নতুন করে স্বাধীনতার স্বাদ উপভোগ করছে।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *