1. mizanurrahmanbadol2@gmail.com : Chaloman Shomoy : Chaloman Shomoy
  2. arasif1989@gmail.com : jony :
  3. mashiur2k@gmail.com : mashiur :
  4. trustit24@gmail.com : Admin panel : Admin panel
  5. chalomanshomoy@gmail.com : Polash News : Polash News
  6. info@chalomanshomoy.com : suvash :
এ কোন বাংলাদেশ খেলেছে অকল্যান্ডে? - চলমান সময়
April 22, 2021, 1:53 am
শিরোনাম:
কাদের মির্জার শান্তির ডাক, নিছক কুটকৌশল ছাড়া আর কিছুই নয়: উপজেলা আ’লীগ বেগমগঞ্জে সূর্যমুখি চাষে ঝুঁকছে প্রান্তিক কৃষক হিলিতে দুই চাল দোকানীকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা পুলিশ সুপারের উদ্যোগে ১০ বছর পর বসতভিটা ফিরে পেল নাটোরের কল্পনা পাহান  ঝালকাঠিতে ডায়রিয়া পরিস্থিতির অবনতি, কারণ অনুসন্ধানে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের রোগ নিয়ন্ত্রণ সেল সুনামগঞ্জে অবৈধ বালি ও পাথরসহ ২৫টি নৌকা আটক, ১জনের কারাদন্ড ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে ভ্রাম্যামাণ আদালতের জরিমানা ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের মাস্ক বিতরণ নিজের ১৬ আনা ঠিক রেখেই প্রস্তাব তুলে ধরলেন মির্জা: উপজেলা আ’লীগ পাঁচ বোলার নিয়ে লড়াইয়ে নামছে বাংলাদেশ

এ কোন বাংলাদেশ খেলেছে অকল্যান্ডে?

স্পোর্টস ডেস্ক, চলমান সময়
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১, ২০২১
  • 18 Time View

স্কোরকার্ড জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার অকল্যান্ডে নিউজিল্যান্ডের কাছে তৃতীয় ও শেষ টি টোয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশ হেরেছে ৬৫ রানে। খেলা না দেখে যে কেউ বলবেন, এ আর নতুন কী? নিউজিল্যান্ডের মাটিতে আগে কখনো পারেনি বাংলাদেশ। আগেও যাচ্ছেতাই খেলে বড় বড় ব্যবধানে হেরে শূন্য হাতে দেশে ফিরেছে। এবারো সব ম্যাচ হারলো। আর শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৬৫ রানে হার কী এমন অস্বাভাবিক?

কিন্তু যারা খেলা দেখেছেন, তারা বিস্মিত, বিমূঢ়! এ কোন বাংলাদেশ। এ কোন দল বাংলাদেশের! বোলিং-ফিল্ডিং আর ব্যাটিংয়ের কী বেসামাল অবস্থা? মনে হয় পুরো দল একসাথে ফ্লপ। সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব-কর্তব্য ভুলে ব্যর্থতার ষোলকলা পূর্ণ করেছেন।

ম্যাচের ফলেও আছে সেই যাচ্ছেতাই পারফরমেন্সের নমুনা। বৃষ্টি ভেজা ১০ ওভারের ম্যাচে কিউইরা ওভার পিছু ১৪ রানের বেশি তুলে করলো ১৪১। আর পাল্টা জবাবে বাংলাদেশ অলআউট ৭৬ রানে। তাও ১০ ওভার পুরো না খেলেই (৯.৩ ওভারে) সবাই সাজঘরে!

মানা গেল তামিম, মুশফিক আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (সাকিব যেহেতু ছুটিতে, তাই তার কথা বলা হলো না) নেই। তাই বলে এমন করুন পরিনতি হবে?

১০ ওভার পুরো ব্যাটিং করতে কী আর তামিম, সাকিব, মুশফিক আর রিয়াদ লাগে? তাও মনকে প্রবোধ দেয়া যেত, যদি টানা ভারী বৃষ্টির পর বাংলাদেশ প্রথম ব্যাট করতো। তখন বলা যেত বৃষ্টির পর হয়তো উইকেটে খানিক শিশির জমেছে, পরিবেশ আদ্র, তাই টিম সাউদির সুইং আর লকি ফার্গুসনের প্রচন্ড গতি ও অ্যাডাম মিলনের ফাষ্ট বোলিং তোড় সামলানো সম্ভব হয়নি।

কিন্তু তাও বলার সুযোগ নেই। কারণ ম্যাচে বাংলাদেশ ব্যাট করেছে দ্বিতীয় সেশনে। টস হেরে নিউজিল্যান্ড আগে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের নির্দয় ও নির্মমভাবে পিটিয়ে করেছে ১৪১।

দুই কিউই ওপেনার মার্টিন গাপটিল আর ফিন অ্যালেনই বারোটা বাজিয়ে ছেড়েছেন। মাত্র ৫.৪ ওভারে তারা প্রথম উইকেটে তুলে দিয়েছেন ৮৫ রান। ওভার পিছু যা দাড়ায় ১৫.৭৪! ভাবা যায়!

তরুণ শরিফুল (২ ওভারে ২১ রানে ১ উইকেট) আর তাসকিন (২ ওভারে ১/২৪) ছাড়া বাকিরা গাপটিল আর ফিন অ্যালেনের উইলোর তোড় সামলাতে পারেননি। খেই হারিয়ে ফেলেছেন। তাদের সবাই ওভার পিছু সাড়ে ১৪ থেকে ১৭ রান করে দিয়েছেন।

শরিফুল আর তাসকিন ছাড়া বাকিরা কোথায় কোন লাইন ও লেংেথে বল ফেলবেন , বুঝে উঠতে পারছিলেন না। জায়গাও খুঁজে পাননি।

আর তাই মার্টিন গাপটিল ২৩১. ৫৮ স্ট্রাইকরেটে ১৯ বলে ৪৪ এবং ফিন অ্যালেন ২৪৪.৮৩ স্ট্রাইকরেটে ২৯ বলে ৭১ রানের জোড়া ঝড়ো ইনিংস উপহার দিয়েছেন।

অকল্যান্ডর ছেট মাঠ, সামনে ও পাশে দু’দিকই আয়তনে কম। সেখানে হার্ডহিটারদের বিগ হিটগুলো হয় ছক্কা না হয় এক বা দুই বাউন্সে বাউন্ডারি হয়। আজও হয়েছে।

কিন্তু ওই দুই কিউই’র ব্যাট আরও উত্তাল হয়েছে যথারীতি বাংলাদেশের ফিল্ডারদের ক্যাচ ফেলার ফলে। এ সফরে যাচ্ছেতাই ফিল্ডিং করা এবং ক্যাচ মিসের মহড়া দেয়া বাংলাদেশের ফিল্ডাররা আজও ক্যাচ ফেলেছেন। অন্তত এক হালি ক্যাচ হাতছাড়া হয়েছে। সৌম্য দুটি , রুবেল আর শরিফুল একটি করে ক্যাচ ধরেও ফেলে দিয়েছেন। আর আরেকবার ডিপ পয়েন্টে আফিফ হাই ক্যাচ কোথা আসছে, সেটাই ঠাউরে উঠতে পারেননি।

একজন ব্যাটসম্যান যদি ২৯ বলের মধ্যে তিন থেকে চারবার লাইফ পান, তাহলে তো তার ব্যাটে ঝড় উঠবেই। তাকে আটকে রাখতে না পারার দায়তো ফিল্ডারদেরই। এত বাজে আর দুর্বল ফিল্ডিং ও ক্যাচিং চোখে দেখেও বিশ্বাস করা কঠিন।

এতো গেল বোলিং ও ফিল্ডিংয়ের শ্রীহীন অবস্থার বর্ননা। এবার আসা যাক ব্যাটিংয়ে। সেটা যথারীতি ছন্নছাড়া, বিচ্ছিরি। যার ভিতরে কোন লক্ষ্য-পরিকল্পনা ছিল না। ৬০ বলে ১৪২ করতে খুনে মানসিকতা দরকার। আর তারচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল বিগ হিটের। তাও নিতে পারেননি কেউ। সৌন্দর্য্য-সৃষ্টিশীলতার বালাই নেই।

আগের ম্যাচে তবু সৌম্য একদিকে কিছু সাহসী শটস খেলে সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন। আজ তাও নেই। পুরো ইনিংসে দু’অংকে পা রেখেছেন কেবল মাত্র তিনজন- সৌম্য (১০), নাইম ইসলাম (১৩ বলে ১৯), আর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত (৮ বলে ১৩)। লিটন (০), নাজমুল হোসেন শান্ত (৮), আফিফ (৮), মেহেদি হাসান (০), শরিফুল (৬), তাসকিন (৫) রুবেল (৩) ও নাসুম (৩) মিলে করেছেন ৩৩ রান।

সৌম্য শুরু করেছিলেন ভালোই। সাউদির প্রথম ওভারে দ্বিতীয় বলে স্ট্রাইক পেয়ে প্রথমে মিড অন আর পরেরবার বোলারের মাথার ওপর দিয়ে পরপর দুই বাউন্ডারি। তৃতীয় বলে অনসাইডে ঘুরিয়ে মেরে ডাবলস। আর চতুর্থ বলে গিয়ে আউট।

অনেক অভিজ্ঞ যোদ্ধা ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে কিউই বোলারদের মধ্যে যার উইকেট সবচেয়ে বেশি, সেই সাউদি বুদ্ধি খাটিয়ে একটু স্লোয়ারে সৌম্যকে দ্বিধায় ফেলে রিটার্ন ক্যাচ লুফে নিলেন ফলো থ্রু‘তে মাটিতে শরীর ফেলে। এরপর আসলেন এ ম্যাচের অধিনায়ক লিটন দাস।
উইকেটে এসে প্রথম বলেই খেলতে গেলেন স্কুপ। অফস্টাম্প ও মিডল স্টাম্পের মাঝামাঝি পিচ পড়া ফুল লেন্থ ডেলিভালিটি অনায়াসে বাঁ-পা বাড়িয়ে অফ সাইডে ড্রাইভ বা পুশ করা যেত। কিন্তু তা না করে লিটন গেলেন স্কুপ খেলতে। পরিনতি যা হবার তাই হলো। ব্যাট ও প্যাডের বিরাট ফাঁক দিয়ে বল গিয়ে উইকেটে আঘাত হানলো।

তারপর শুরু হলো আসা আর যাওয়ার পালা। কে কোথায় কি খেলেছেন? তা বোধকরি তাদের নিজেরাও জানেন না। এত বাজে ও ছন্নছাড়া ফিল্ডিং, অতি দুর্বল ক্যাচিং ও শ্রীহীন ব্যাটিংযে অনেক কাল করেনি বাংলাদেশ।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *