1. mizanurrahmanbadol2@gmail.com : Chaloman Shomoy : Chaloman Shomoy
  2. arasif1989@gmail.com : jony :
  3. mashiur2k@gmail.com : mashiur :
  4. trustit24@gmail.com : Admin panel : Admin panel
  5. chalomanshomoy@gmail.com : Polash News : Polash News
  6. info@chalomanshomoy.com : suvash :
দশমিনায় আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর ফেলে পালাচ্ছেন অনেকে - চলমান সময়
September 20, 2021, 11:42 pm

দশমিনায় আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর ফেলে পালাচ্ছেন অনেকে

মোঃ আবু বক্কার সিদ্দিক, দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : বুধবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২১
  • 57 Time View
দশমিনায় জনমানবহীন আশ্রয়ণ প্রকল্প।

দশমিনায় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার সরকারি আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর ফেলে পালাচ্ছেন অনেকে। সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দ জাফর গ্রামের বাসিন্দা বাবুল জোমাদ্দার (৫০) তেতুলিয়া নদীর ভাঙনে জমিজমা সব হারিয়ে পাশেই একটি গ্রামীন সড়কের পাশে ছোট চায়ের দোকান করে সংসার চালাতেন।

স্ত্রী হালিমা বেগমকে (৪৫)নিয়ে খেয়ে পড়ে চলে যাচ্ছিল তার সংসার। অসহায় ওই পরিবারটি উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের চরঘূর্নি আশ্রয়ন প্রকল্পে ৯ মাস আগে ঘর বরাদ্দ পেয়ে সেই ঘরে বসবাস শুরু করেন। কিন্তু করোনার কারনে লকডাউনে কোন আয় উপার্জন না থাকায় পরিবারটি ঘরে তালা মেরে কিছুদিন আগে ঢাকায় পালিয়ে গেছেন। এরকম আশ্রয়ন প্রকল্পে ঘর বরাদ্দ পাওয়া অর্ধ শতাধিক পরিবার তাদের নতুন ঘর ফেলে পালিয়ে গেছেন অন্যত্র। বর্তমানে আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘরগুলোতে বসবাসরত বাসিন্দাদের অভিযোগ শিক্ষা, পানি, বিদ্যুৎ ও কর্ম সংস্থানের সুযোগ না থাকায় প্রায় অর্ধ শতাধিক পরিবার বছর না ঘুরতেই আশ্রয়ণ প্রকল্পে বরাদ্দ পাওয়া ঘর ফেলে অন্যত্র চলে গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের চরঘূর্নি আশ্রয়ন প্রকল্পে ৫ ইউনিট বিশিষ্ট ২৬ টি (সিআইসিট) ব্যারাক হাউস নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘ যাচাই বাছাই শেষে চলতি বছরের জানুয়ারী মাসে নদী ভাঙা ও অসহায় সম্বলহীন ১৩০টি পরিবারকে ঘরের দলিল সহ ঘরগুলো বুঝিয়ে দেয় উপজেলা প্রশাসন।

চরঘূর্নি আশ্রয়ন প্রকল্পের সামাজিক সভাপতি ইয়াজুল হক বেপারী বলেন, বিশুদ্ধ পানির সংকট, কর্মসংস্থান, শিশুদের শিক্ষা ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা না থাকায় অর্ধ শতাধিক পরিবার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর ফেলে অন্যত্র পালিয়ে গেছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আসাদুল হক নাসির সিকদার বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ভোটার, তাই ইচ্ছে থাকলেও তাদেরকে ইউপি পরিষদ থেকে সুযোগ সুবিধার আওতায় নেওয়া সম্ভব হয় না। তবে বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে তাদের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আল আমিন বলেন, ঘর ফেলে পালানোর ব্যপারে কিছু জানা নেই। আশ্রয়ণ প্রকল্পে বিদ্যুত সংযোগের কাজ চলমান রয়েছে। বিশুদ্ধ পানির জন্য টিউবয়েলের ব্যবস্থাও করা হবে এবং কর্মসংস্থান ও শিশু শিক্ষার ব্যাপারে  স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

সম্পাদনা: প্রশান্ত সুভাষ চন্দ, চীপ রিপোর্টার। 

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *