1. mizanurrahmanbadol2@gmail.com : Chaloman Shomoy : Chaloman Shomoy
  2. arasif1989@gmail.com : jony :
  3. mashiur2k@gmail.com : mashiur :
  4. trustit24@gmail.com : Admin panel : Admin panel
  5. chalomanshomoy@gmail.com : Polash News : Polash News
  6. info@chalomanshomoy.com : suvash :
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অপরাধ বাড়ছে, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ - চলমান সময়
May 18, 2022, 7:14 am
শিরোনাম:
৩৩ মাস পর কোম্পানীগঞ্জে সেতুমন্ত্রীর আগমন একহাজার দরিদ্র পরিবারের মাঝে ছিদ্দিক উল্যাহ ভূট্টোর ঈদ বস্ত্র বিতরণ কোম্পানীগঞ্জে রামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন কোম্পানীগঞ্জ রামপুর ইউনিয়নে যথাযত মর্যাদায় জাতীয় স্বাধীনতা দিবস পালিত মশিউর রহমান মিঠু’র দু’টি কবিতা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত করলেন প্রধান বিচারপতি এমভি অভিযান-১০ এর অগ্নিকাণ্ড: আরও ৩ দিন সময় পেল তদন্ত কমিটি আগামীকাল নিয়োগ হতে পারে নতুন প্রধান বিচারপতি মীজানুর রহমানের ত্রৈমাসিক পত্রিকা প্রকাশের নয়া উদ্যোগঃ এক অর্থপূর্ণ পাগলামির রয়ান শিল্পি মোহাম্মদ হাসেমঃ শ্রীকৃষ্ণপুর থেকে মানুষের হৃদয়পুরে

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অপরাধ বাড়ছে, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

প্রশান্ত সুভাষ চন্দ, চীফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : শনিবার, অক্টোবর ৩০, ২০২১
  • 355 Time View
ফাইল ছবি

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে দিন দিন বাড়ছে অপরাধ। সম্প্রতি দুটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডে সাতজন নিহতের ঘটনায় সেখানে বিরাজ করছে আতঙ্ক। এই অবস্থায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশও করেছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবকিছুই করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সাতজনকে হত্যার ঘটনায় সফররত ইউরোপীয় ইউনিয়নের মানবিক সহায়তা কমিশন এ  উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে বিশ্বের বৃহৎ আশ্রয় শিবিরে সমন্বিতভাবে ঝুঁকি প্রতিরোধে কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নেবে বলে বিশ্বাস করেন ইইউ প্রতিনিধি দলটি।

সম্প্রতি রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। যার নেতৃত্বে দেন মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিশনার জানে লেনোচিক। প্রতিনিধি দলটি প্রথমে কুতুপালংয়ে জাতিংসঘের ট্রানজিট সেন্টারে যায়। যেখানে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা এবং কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এরপর তারা ক্যাম্প-১৮ তে শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের পাঠদান কার্যক্রম দেখেন ও রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আলাপ করেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিশনার জানে লেনোচিক বলেন, ‘এটি বিশ্বের বৃহৎ আশ্রয় শিবির। এখানে সীমাবদ্ধতার শেষ নেই। অর্থনৈতিক, সামাজিক বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা যেমন আছে শিক্ষা বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ। সাম্প্রতিক মুহিবুল্লাহসহ সাত রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ড আমাদের অবাক করেছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে সজাগ আছি। সমন্বিতভাবে এসব ঝুঁকি প্রতিরোধে যথাযথ কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেবে বলে বিশ্বাস করি।’

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট কক্সবাজারের উখিয়ায় লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলি চালিয়ে আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের চেয়ারম্যান মুহিবুল্লাহ হত্যা ও ২২ অক্টোবর শুক্রবার ভোররাতে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ১৮ নম্বর ময়নারঘোনা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলি করে ছয়জনকে হত্যা করে দুর্বত্তরা। তারা সবাই রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষক।

এই দুটি ঘটনার পর আতঙ্কে আছেন ক্যাম্পের রোহিঙ্গারা। ১৯ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা হাসান আলী বলেন, ‘মুহিবুল্লাহ হত্যার পর থেকে আমরা আতঙ্কেই ছিলাম৷ এরপর আবার পাশের ক্যাম্পে ছয়জন খুনের পর আমরা আসলে পরিবার নিয়ে শঙ্কার মধ্যেই আছি৷ পুলিশ পাহারা দিচ্ছে, কিন্তু সাধারণ রোহিঙ্গারা খুব আতঙ্কে আছেন।’

পুলিশের পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত টেকনাফ ও উখিয়া থানায় ৮৯ জন রোহিঙ্গা খুন হয়েছেন৷ এসব ঘটনায় ৮০টি মামলা হয়েছে৷ এর বাইরে ২৪ জন রোহিঙ্গা বিভিন্ন বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন৷ সর্বশেষ শনিবার মারা গেছেন ছয়জন৷

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *