1. mizanurrahmanbadol2@gmail.com : Chaloman Shomoy : Chaloman Shomoy
  2. arasif1989@gmail.com : jony :
  3. mashiur2k@gmail.com : mashiur :
  4. trustit24@gmail.com : Admin panel : Admin panel
  5. chalomanshomoy@gmail.com : Polash News : Polash News
  6. info@chalomanshomoy.com : suvash :
৩৩ মাস পর কোম্পানীগঞ্জে সেতুমন্ত্রীর আগমন - চলমান সময়
May 18, 2022, 6:56 am
শিরোনাম:
৩৩ মাস পর কোম্পানীগঞ্জে সেতুমন্ত্রীর আগমন একহাজার দরিদ্র পরিবারের মাঝে ছিদ্দিক উল্যাহ ভূট্টোর ঈদ বস্ত্র বিতরণ কোম্পানীগঞ্জে রামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন কোম্পানীগঞ্জ রামপুর ইউনিয়নে যথাযত মর্যাদায় জাতীয় স্বাধীনতা দিবস পালিত মশিউর রহমান মিঠু’র দু’টি কবিতা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত করলেন প্রধান বিচারপতি এমভি অভিযান-১০ এর অগ্নিকাণ্ড: আরও ৩ দিন সময় পেল তদন্ত কমিটি আগামীকাল নিয়োগ হতে পারে নতুন প্রধান বিচারপতি মীজানুর রহমানের ত্রৈমাসিক পত্রিকা প্রকাশের নয়া উদ্যোগঃ এক অর্থপূর্ণ পাগলামির রয়ান শিল্পি মোহাম্মদ হাসেমঃ শ্রীকৃষ্ণপুর থেকে মানুষের হৃদয়পুরে

৩৩ মাস পর কোম্পানীগঞ্জে সেতুমন্ত্রীর আগমন

আমিনুল পলাশ
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, মে ৬, ২০২২
  • 46 Time View

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট ডাকবাংলোর হলরুমে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত ঈদ প্রীতি পুর্নমিলনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছে কোন প্রোগ্রামে এটেন্ট না করতে, তারপরও আমি আপনাদের সামনে এসে দু’একটি কথা বলছি। আমি যখন কোম্পানীগঞ্জে এসেছি আপনাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমি খুব অচিরেই ঢাকায় ডাকবো। দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে আমি এ সমস্যার সমাধান করব।

এর আগে দুপুর ২টার দিকে নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বিএনপির আন্দোলনের সমালোচনা করে বলেন, বিএনপি গত ১৩ বছরে ২৬ ঈদে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। কিন্তু আন্দোলনের মুখ দেখেনি। বিএনপি আন্দোলনের কথা বললে মানুষ হাসে। তের বছরে পারলানা কোন বছর পারবে। তাদের আন্দোলন এখন প্রশ্নের সম্মুখীন এই বছর না ওই বছর, আন্দোলন হবে কোন বছর।

জানা গেছে, ৩৩ মাস পর নিজ নির্বচানী এলাকার কোম্পানীগঞ্জে আগমন উপলক্ষে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা নিজ বাড়িতে দুপুরে প্রীতি ভোজের আয়োজন করেন। অপরদিকে দুপুর ১টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ বসুরহাট ডাক বাংলোয় এক ঈদ পুর্নমিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। একপর্যায়ে তাদের ওই ঈদ পুর্নমিলনী অনুষ্ঠান জনসভায় রুপ নেয়। সেতুমন্ত্রী বিবদমান দুটি গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতেই যোগ দেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান,সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু, রামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সিরাজীস সালেকিন রিমন,স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদ সদস্য ফখরুল ইসলাম রাহাত, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম শাহীন প্রমূখ।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের পর দীর্ঘ প্রায় ৩৩ মাস পর নিজ নির্বচানী এলাকায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এসেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। গত এক বছর নানা ঘটনায় সমালোচনায় পড়তে হয় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দকে। আলোচনা সমালোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে ছিলেন সেতুমন্ত্রীর ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। তাঁর বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠছে সংগঠনের ভেতর থেকেই। বড় ভাই সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও ভাবীর বিরুদ্ধে কুটিল ভাষায় ব্যাপক বিষেদগার করেন। বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে বার বার খারাপ সংবাদের শিরোনাম হয় কাদের মির্জা। এতে স্থানীয় ভাবে সংগঠন পড়েছে বেজায় নাজুক অবস্থায়। স্থানীয় রাজনীতিকে কাদের মির্জা বিরোধী অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল। তাঁর সাথে রয়েছেন মন্ত্রীর আপন তিন ভাগনে। বাদল ও ভাগনেদের বিরুদ্ধেও কাদের মির্জা নানা অভিযোগ তুলেন। একপর্যায়ে দুই গ্রুপের এ দ্বন্দ্ব সংঘাতে কাদের মির্জার প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায় তারই আপন তিন ভাগনে। তারা হলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু, ফখরুল ইসলাম রাহাত ও সিরাজিস সালেকিন রিমন। মূলত কাদের মির্জার পারিবারিক ভুল বুঝাবুঝি সূত্র ধরে এ দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। এরপর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যেই এই বিরোধের ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে জেলা আওয়ামীলীগের রাজনীতে এ অভ্যন্তরীণ বিরোধ ছড়িয়ে যায়। সেই বিরোধের জের ধরে গত কয়েকমাসে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব সংঘর্ষে একজন সাংবাদিকসহ দুই জন নিহত হয়। আহত হয় প্রায় এক হাজার নেতাকর্মি। পাল্টাপাল্টি ৭২টি মামলা হয়। এতে আসামি হয় উভয় পক্ষের প্রায় সাত হাজার তৃণমূলের নেতাকর্মি। এখনো বাড়ি ছাড়া রয়েছে হাজার হাজার নেতাকর্মি। ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে অনেকে বাড়ি আসতে পারেনি।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *